নৃত্য বিনোদন সংস্কৃতি

আগমনী আলোয় অপরাজিতা

স্বপন কুমার দাস : মহাভারত অনুসারে, কর্ণের মৃত্যুর পর, স্বর্গলোকে তিনি পিতৃপুরুষ কে জল না দানের অপরাধে দন্ডিত হলে, তাঁর পিতৃপুরুষের অজ্ঞতার কথা স্মরণ রেখে তাঁকে পক্ষকাল সময় প্রদান করা হয়, মর্ত্যে এসে জল প্রদানের উদ্দেশ্যে। এই পক্ষকালকেই পিতৃপক্ষ বলে। আর সেই পক্ষকালের পঞ্চদশতম দিন হলো মহৎ আলোয় বা মহালয়। মহালয় থেকেই মহালয়া। মনে করা হয়, স্বর্গগত পিতৃপুরুষদের এই দিন মর্ত্যে ফেরেন জল লাভের আশায়। নদীর ঘাটে ঘাটে এইদিন তাই চলে তর্পণের পালা।
দিনটির পৌরাণিক গুরুত্ব যাই হোকনা কেন, আপামর বাঙালি বছরভর যে শারদোৎসবের প্রতীক্ষায় থাকে, এইদিন তার ঢাকে কাঠি। ব্রহ্মমুহূর্তে বীরেন ভদ্রের গম্ভীর কণ্ঠের চণ্ডীপাঠ শোনার অপেক্ষায় আপামর বাঙালি কাটিয়ে দেয় একটা বছর। এ যেন এক ম্যাজিকাল মোমেন্ট।

চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ীতে আবাহন করতে একদিকে চলে দেবীদুর্গার স্তোত্র বন্দনা, অপরদিকে ভোরের আকাশ অনুরণিত হয় আলোর বেণুর সেই চিরকালীন সুরে..
‘হাসিমারা সাংস্কৃতিক মঞ্চে’র পক্ষ থেকে আমরা প্রথমবার প্রয়াস করেছি, সুরে ছন্দে বাচিকে এই বিশেষ দিনটিকে বিশেষ ভাবে উজ্জাপন করার, আমাদের অনুষ্ঠান ‘আগমনী আলোয় অপরাজিতা’র মধ্যে দিয়ে। ভুটান পাহাড়ের কোলে অবস্থিত হাসিমারা নামক একটি ছোট্ট জনপদের অখ্যাত অথচ প্রকৃত গুণী কিছু শিল্পীদের নিয়ে আমাদের এই প্রচেষ্টা আপনাদের ভালো লাগলে, তবেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক। ভাবনা ও পরিচালনা: সঞ্জয় চৌধুরী।

Leave a Reply